• শিরোনাম

    হাজী সেলিমের বাড়িতে মিললো ৪০০ পিস ইয়াবা

    | ২৬ অক্টোবর ২০২০ | ৯:৪৯ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 526 বার

    হাজী সেলিমের বাড়িতে মিললো ৪০০ পিস ইয়াবা

    হাজী সেলিমের একটি বাড়ি (যেখান থেকে ইরফান সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়) থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

    সোমবার (২৬ অক্টোবর) অভিযান শেষে এ তথ্য জানান তিনি।



    আশিক বিল্লাহ বলেন, ইরফান যে ঘরে থাকতেন সেখান থেকে একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৫-৬ লিটার মদ ও ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে মিলেছে কিছু বিয়ারের ক্যান।

    এরপর বাড়িতে অভিযান শেষ না হতেই রাজধানীর মৌলভীবাজার এলাকায় হাজী সেলিমের দখলে থাকা অগ্রণী ব্যাংকের জায়গা উদ্ধার করেছে অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

    সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সহায়তা ছাড়াই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিজেদের জায়গা বুঝে নেয়।

    এসময় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ১৪ শতক এই জায়গার মালিক অগ্রণী ব্যাংক। যেখানে দুইতলা একটি ভবন ছিল। স্বাধীনতার পরপরই এই শাখা উদ্বোধন করা হয়। সম্প্রতি পুরাতন ভবন ছেড়ে রাস্তার সামনের দিকে স্থানান্তর করা হয় ব্যাংকটি। করোনাকালে অগ্রণী ব্যাংকের পুরাতন দুই তলা ভবন গুড়িয়ে দিয়ে জায়গাটি দখলে নেয় হাজী সেলিমের লোকজন।

    এর আগে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার সন্ধ্যায় অস্ত্র ও মাদকের দুই মামলায় ছয় মাস করে মোট এক বছরের সাজা দেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

    এই প্রসঙ্গে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পুরান ঢাকার সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে ওই বাড়িটি ঘেরাও করে সোমবার বেলা ১২টায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

    পরে অভিযান শেষে র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, সাদা রঙের নয়তলা এ ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় থাকেন ইরফান সেলিম। সেখানে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, একটি এয়ারগান, ৩৭টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া, বিদেশি মদ ও বিয়ার, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেছে।

    তিনি বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো বৈধ কাগজ এখনো দেখাতে পারেননি। আর ওয়াকিটকিগুলোও অবৈধ, কালো রঙের এসব ওয়াকিটকি শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করতে পারেন।

    জানা গেছে, হাজী সেলিমের ছেলে পুরান ঢাকা তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য সম্পূর্ণ ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মধ্যে রেখেছেন। এজন্য তিনি অবৈধভাবে ভিপিএস ডিভাইস ব্যবহার করতেন। এই ডিভাইস আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ট্র্যাক করতে পারে না। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই তিনি এই ভিপিএস নেটওয়ার্কিং সিস্টেম করেছিলেন।

    এর আগে, রোববার রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে তার ছেলে ইরফান ও তার কতিপয় বডিগার্ডরা নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করেন। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে ঘটনাটি ঘটে।

    পরে একইদিন রাতেই এ বিষয়ে জিডি এবং সোমবার ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

    মামলায় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম (৩৭), তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজী সেলিমের মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ (৩০) অজ্ঞাতপরিচয়ের দু-তিনজনকে আসামি করা হয়।

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১