• শিরোনাম

    সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ভারতের কৈলাশহরে প্রবেশ সন্দেহে কমলগঞ্জে পুলিশি তৎপরতা

    | ১৩ জুলাই ২০২০ | ১০:২০ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 613 বার

    সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ভারতের কৈলাশহরে প্রবেশ সন্দেহে কমলগঞ্জে পুলিশি তৎপরতা

    অর্থ আত্মসাতের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানে মো. সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম এই আদেশ দেন।

    আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুটি পৃথক মামলায় এই আদেশ দেন আদালত। তিন কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করে মাসুদ এন্টারপ্রাইজ।



    উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার প্রমাণ পায়।

    একদিন পর গত ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে মো. সাহেদ পলাতক রয়েছেন।

    শাহেদ ভারতের কৈলাশহরে প্রবেশ সন্দেহে কমলগঞ্জে পুলিশি তৎপরতা মৌলভীবাজারের চাতলাপুর সীমান্ত হয়ে কৈলাশহর প্রবেশের মধ্যদিয়ে ভারতে যেতে পারে সন্দেহে কমলগঞ্জে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫টা থেকে শমশেরনগরে আকস্মিক পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়। শমশেরনগর চৌমুহনা থেকে ভারতের ত্রিপুরাগামী সড়কের মুখে চেকপোস্ট বসিয়ে শমশেরনগর পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা দাড়িয়ে যানবাহন তল্লাশি শুরু করেন। শমশেরনগর পুলিশ ফাড়ি সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ থেকে তাদেরকে জানানো হয় ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালের করোনা কেলেঙ্কারী পলাতক প্রধান আসামী মো. শাহেদ এ পথে কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত পথে ভারতের ত্রিপুরা যেতে পারেন। তাই সতর্কতা স্বরুপ চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ সদস্যরা যানবাহন তল্লাশি শুরু করেন। শমশেরনগর পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক আনজির হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শমশেরনগর চৌমুহনাস্থ চাতলাপুর সড়কে যানবাহন তল্লাশি করেন। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, শাহেদের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে দেখা গেছে শাহেদ মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থান করছে। তাই সোমবার বিকাল থেকে শমশেরনগর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়। শমশেরনগর পুলিশ ফাড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) অরুপ কুমার চৌধুরী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে শাহেদ চাতলাপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা প্রবেশ করতে পারেন। তাই তাকে ধরার জন্য সতর্কতামূলক পুলিশ শমশেরনগরে তদারকি চালাচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের শমশেরনগর চৌমুহনায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০