• শিরোনাম

    সরকারি চিকিৎসকদের জন্য সতর্কতা অফিসের সময় প্রাইভেট প্র্যাকটিস নয়

    | ১৯ নভেম্বর ২০২০ | ১০:৫৭ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 51 বার

    সরকারি চিকিৎসকদের জন্য সতর্কতা অফিসের সময় প্রাইভেট প্র্যাকটিস নয়

    সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসের বিষয়ে সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য বিভাগের টাস্কফোর্স কমিটি।

    বুধবার (১৮ নভেম্বর) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আসা বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।



    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগের দিন টাস্কফোর্স কমিটির আহ্বায়ক মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে কমিটির জরুরি সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, অফিস চলাকালীন সময় অন্য কোনো বেসরকারি হাসপাতালে অবস্থান করতে পারবেন না।

    বাংলাদেশের আইনে সরকারি চাকুরেদের বেসরকারি চাকরি করতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও চিকিৎসকদের জন্য নিয়ম কিছুটা শিথিল আছে। সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন শেষে বেসরকারি ক্লিনিকে তারা চাকরি করতে পারেন বা প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখতে পারেন। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও একই রকমের সুবিধা পান। তবে তাদের আয়ের একটি অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে জমা দিতে হয়। তবে সরকারি চিকিৎসকরা বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখে যে আয় করেন, তার পুরোটাই নিজে রেখে দিতে পারেন।

    তবে চিকিৎসকরা এই সুবিধার অপব্যবহার করছেন বলে নানা সময় অভিযোগ পাওয়া গেছে। যে সময় সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করার কথা, সে সময় তারা বেসরকারি হাসপাতাল বা চেম্বারে রোগী দেখার কারণে, একাধিক চিকিৎসককে সাজাও পেতে হয়েছে। আবার এই সাজা দেওয়ায় চিকিৎসকরা একজোট হয়ে ধর্মঘটেও গেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিপদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ফরিদ হোসেন মিঞা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অফিস চালকালীন সরকারি হাসপাতালের কোনো চিকিৎসক বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে থাকতে পারবেন না এটা আইনে উল্লেখ রয়েছে। তবে এই নীতি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে আমরা মাঝে মাঝে অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় থেকে স্মরণ করিয়ে দেই। এটাই কারণ।’

    সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয়, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাব, ক্লিনিক ও সেবাদানকারী লাইসেন্স নিবন্ধন নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। যেসব হাসপাতাল লাইসেন্স নবায়ন হয়নি ও নিবন্ধন নেই সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

    ১৬ নভেম্বরের পরে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন করে নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন করা যাবে না বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেসব হাসপাতাল লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে তাদের প্রতিষ্ঠানের কোনো অসুবিধা হবে না বলেও জানানো হয় মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।

    এতে বলা হয়, লাইসেন্স পেতে একটু সময় লাগতে পারে। তবে তারা সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

    সভায় টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব শিব্বির ওসমানী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ফরিদ হোসেন মিঞা, যুগ্মসচিব সালমা তানজিয়া, যুগ্মসচিব সায়লা ফারজানাসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০