• শিরোনাম

    বিয়ের কাবিনে ‘কুমারী’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না

    | ২৬ আগস্ট ২০১৯ | ১২:২৬ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 688 বার

    বিয়ের কাবিনে ‘কুমারী’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না

    বিয়ের কাবিননামার ফর্মে ৫ নম্বর কলামে কনে কুমারী কি না এই শব্দ উঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কুমারী শব্দের স্থলে অবিবাহিত লিখতে বলেছেন আদালত। একইসঙ্গে কাবিননামার ফর্মে ৪ এর ক উপধারা সংযোজন করে ছেলেদের ক্ষেত্রে বিবাহিত, অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত কি না তা লিপিবদ্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    এ বিষয়ে জারি করা রুল নিস্পত্তি করে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার (২৫ আগস্ট) এই রায় ঘোষণা করেন।



    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না,অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার লিপি। সম্পূরক আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

    এর আগে বিয়ের কাবিননামার ফর্মে কনে কুমারী,বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত সংক্রান্ত পাঁচ নম্বর কলাম থাকার বৈধতা নিয়ে রিট করা হয়।

    রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালে ,কাবিননামার ফর্মের (বাংলাদেশ ফর্ম নম্বর-১৬০০ ও ১৬০১) পাঁচ নম্বর কলাম কেন বৈষম্যমূলক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন ‘কুমারী’ শব্দটি বিলোপ করে কাবিননামা সংশোধন করা এবং বরের বৈবাহিক অবস্থা-সম্পর্কিত কোনো ক্রমিক কাবিননামায় উল্লেখ করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়।

    রুল শুনানির এক পর্যায়ে মেয়ে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান কাবিননামায় মেয়েদের তথ্যর পাশাপাশি ছেলেরা বিবাহিত,অবিবাহিত বা তালাকপ্রাপ্ত কি না তা অন্তভূক্তের জন্য সম্পূরক আবেদন করেন।

    পরে আইনুন্নাহার সিদ্দিকা বলেন,কাবিননামার ফর্মের (বাংলাদেশ ফর্ম নম্বর-১৬০০ ও ১৬০১) পাঁচ নম্বর কলাম কেন বৈষম্যমূলক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন ‘কুমারী’ শব্দটি বিলোপ করে কাবিননামা সংশোধন করা এবং বরের বৈবাহিক অবস্থা-সম্পর্কিত কোনো ক্রমিক কাবিননামায় উল্লেখ করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছিলো।

    এ ছাড়া বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের সময় উভয় পক্ষের ছবি কাবিননামায় কেন সংযুক্ত করা হবে না সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।

    এই রুলের শুনানিতে এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বেলায়েত হোসেন।

    ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন পরে সাংবাদিকদের বলেন,৫ নম্বর কলামে এটা থাকা উচিত না। কারণ ব্যক্তির মর‌্যাদা ও গোপনীয়তাকে ক্ষু্ণ্ণ করে। যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী এগুলো থাকা বাধ্যতামূলক নয়। মুসলিম শরীয়তে এধরণের শর্ত নেই।

    ওই অনুচ্ছেদটি বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, নারীপক্ষ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ২০১৪ সালেল ৭ সেপ্টেম্বর রিট আবেদনটি করে।

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১