• শিরোনাম

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    | ০৪ জুন ২০২০ | ৪:১৮ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 615 বার

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    গত ২৯ মে বাংলাদেশ জনপ্রত্যাশা অনলাইন নিউজ পোর্টালসহ আরও কয়েকটি অনলাইনে প্রকাশিত ” চা বিক্রেতা থেকে কোটিপতি ” সংবাদটি আমার দৃস্টি গোচর হয়েছে। সেই অনলাইন গুলোতে লিখা হয়েছে আমি নাকি চা বিক্রেতা থেকে মেম্বারি করে এখন কোটিপতি।

    এছাড়াও আমার নাকি ২০ ভাই গ্রুপ রয়েছে, এবং এলাকায় বয়স্ক,প্রতিবন্ধী ভাতা বই ও নলকুপ নিতে আগে উৎকোচ দিতে হয় ও কর্মসূজন কর্মসূচী প্রকল্পের টাকা আতসাৎ সহ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নগদ ২৫ শত টাকার তালিকায় স্বজনপ্রীতি করেছি। যা সম্পুন মিথ্যা- বানোয়াট ও ভিক্তিহীন সংবাদ।



    এলাকায় আমার কিছু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দুস্কৃতিকারী লোক সব-সমই আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মরিয়া হয়ে উটেছে। তারা বিভিন্ন মিডিয়াকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে বলে আমি মনে করি। প্রকৃত পক্ষে আমি ছাত্র জীবনে লেখাপড়া শেষ করে জীবিকার তাদিগে সৌদিআরব প্রবাসে চলে যাই, সেখানে দীর্ঘ ১৪ বছর চাকুরী শেষ করে দেশে চলে আসি।

    এলাকায় আসার পর স্থানীয় জনগন আমাকে ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদে প্রার্থী হতে অনুরুদ জানান, সবার চাপাচাপি ও অনুরুদে ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হাজিপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বর পদে প্রথমবারের মতো প্রাথী হয়েই বিপুল ভোটে জনগন আমাকে নির্বাচিত করে।

    এরপর ২০১৬ সালে ২য় বারের মতো ওয়ার্ডের জনগন আবারো আমাকে বিপুল ভোটে মেম্বর পদে জয়লাভ করায়। সবার দেওয়া ভোট আনামত নিয়ে আমি সততা ও সুনামের সহিত এলাকার সবার মতামত নিয়ে মিলেমিশে কাজ করে যাচ্ছি।

    অনেকে হয়তো জানেন না যে, আমার দাদা ডাঃ শরাফত আলী পাকিস্তান আমল থেকে ডাক্তারি পেশা চালিয়ে একজন ডনাড্য ব্যাক্তি হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত।

    তিনি এলাকার দরিদ্র অসহায়দের কথা চিন্তা করে নিজ উদ্যোগে প্রায় ৫২ কিয়ার জায়গার উপর হাসপাতাল, মাদ্রাসা, মসজিদ ও ঢাকায় ৩টি বিল্ডিং ফজল ভাগ ষ্টেট নামে ওয়াকফ করে দিয়েছেন।

    আমার বাবা মৃত আব্দুর রহমান মনু গাজিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি ও মনু ওয়াল্যাস অফিসের জমি দান করেছেন।

    এছাড়াও আমার দুই চাচা আশরাফ আলী ও আছদ্দর আলী মনু উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য ৩০ শতক জায়গা, ঈসমাইল পুর পূর্ব পাঞ্জেগানা মসজিদে ৪ কিয়ার, ঈসমাইল পুর জামে মসজিদে ২২ শতক ও পূূূূর্ব গাজিপুর পাঞ্জেগানা মসজিদের জন্য ১৫ শতক জায়গা দান করেছেন।

    এছাড়াও এলাকার অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের যেকোনো সমস্যায় আমাদের পরিবারের সদস্যরা সবসমই পাশে থাকার চেস্টা করেন। সাম্প্রতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ফেসবুক মাধ্যমে দেখতে পেলাম আমার ওয়ার্ডের বাঘমারা গ্রামের সচিন্দ্র মালাকার অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি নাকি কোনো কিছু পাননি সত্য ঘটনা হলো উনার দুই ছেলে বিদেশে রয়েছেন তাই উনার পরির্বতে তাহার ভাইয়ের পরিবার সহ বাড়ির অন্যদের সরকারী নানা সুযোগে সুবিদা দেওয়া হয়েছে।

    আমি কোনো দিন আমার ওয়ার্ডের জনগনের কাছ থেকে একটি টাকাও নেইনি বা নেওয়ার প্রয়োজন ও মনে করিনা। আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন সেই সব নিয়েই আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই।

    আমার রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধির জনপ্রিয়তার দেখে একটি গ্রুপ হিংসার ভষিভূত হয়ে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে মিডিয়ায় ভূল তথ্যদিয়ে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে। অনলাইনে প্রকাশিত এসব মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিক্তিহীন সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    শেখ আব্দুর রউফ
    ইউপি সদস্য, ৪ নং ওয়ার্ড, হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    সালমান শাহ’র মৃত্যুর ২৩ বছর

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

    বাবা হলেন রুবেল

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১