• শিরোনাম

    কৃষকের জন্য বিনা সুদে, বিনা জামানতে ৫০ হাজার টাকা রুপালী ব্যাংক লোন!

    | ১১ অক্টোবর ২০২০ | ১১:১০ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 155 বার

    কৃষকের জন্য বিনা সুদে, বিনা জামানতে ৫০ হাজার টাকা রুপালী ব্যাংক লোন!

    কৃষি ও কৃষকের জন্য এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক। এই উদ্যোগের আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনা সুদে ঋণ বিতরণ শুরু করেছে ব্যাংকটি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই প্রকল্প থেকে রূপালী ব্যাংক আর্থিকভাবে লাভবান না হলেও দেশের অর্থনীতির জন্য বিপুল সুফল নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।

    কৃষকদের সঙ্গে সঙ্গে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াবে বাংলাদেশের গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতি। আর দেশের অর্থনীতি এখনো কৃষিনির্ভর হওয়ায় এই উদ্যোগ জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ‘মুজিববর্ষের স্পর্শে স্পন্দিত রূপালী ব্যাংক’ প্রান্তিক পর্যায়ে টমেটো চাষিদের মধ্যে ‘জিরো কুপন লেন্ডিং’ কর্মসূচির আওতায় ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে।



    পাইলট প্রকল্প হিসেবে নাটোরের ৫০০ টমেটো চাষিকে ৫০ হাজার টাকা করে ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৯-২০ অর্থবছরের কৃষিঋণ নীতিমালা অনুযায়ী এই পরিমাণ ঋণ দিয়ে কৃষক ১ দশমিক ২৯ একর জমিতে টমেটো চাষ করতে পারবে। জানতে চাইলে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, বঞ্চিত কৃষককে উৎসাহ দিতেই বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রূপালী ব্যাংক।

    প্রাথমিক প্রকল্প হিসেবে টমেটো চাষিদের ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে সারা দেশের সব শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন কৃষিপণ্যের চাষিদের মাঝে বিনা সুদে ঋণ বিতরণ করা হবে। আদা, হলুদ, পেঁয়াজ ও আম চাষে বিনা সুদে ঋণ বিতরণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, প্রান্তিক চাষি থেকে ভোক্তা পর্যন্ত দামের যে বড় ব্যবধান এখানে সুদেরও একটা ভূমিকা আছে।

    এখন যদি আমরা কৃষককে বিনা সুদে ঋণ দিই এবং পণ্য দুই টাকার জায়গায় ৩০ টাকায় বিক্রি করি, তাহলে সে যেমন বাড়তি মুনাফা পাচ্ছে তেমনিভাবে সে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। প্রকল্পের নথি পর্যালোচনা করে দেখা দেছে, প্রতিটি ঋণের মেয়াদ থাকবে ছয় মাস। গ্রীষ্মকালীন টমেটো ও রবি টমেটো চাষের জন্য বছরে দুবার ঋণ বিতরণ করবে ব্যাংকটি।

    রবি টমেটো চাষের জন্য ১৫ আগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর এবং গ্রীষ্মকালীন চাষের জন্য ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই ঋণ বিতরণ করা হবে। রবি টমেটো চাষের জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে এবং গ্রীষ্মকালীন সময়ের জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। এই ঋণ সহায়ক জামানতমুক্ত। তবে স্বামী বা স্ত্রী অথবা গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তি ঋণের জামিনদার হিসেবে থাকবেন।

    কৃষককে দশ টাকার কৃষক হিসাবের মাধ্যমেই ঋণ উত্তোলন ও পরিশোধ করতে হবে। উৎপাদিত টমেটো বিক্রির অর্থের মাধ্যমে দৈনিক বা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ঋণ বিতরণকারী শাখা কৃষকের দশ টাকার হিসাব থেকে ঋণের টাকা আদায় করতে পারবে। ঋণ বিতরণকারী শাখা, জোনাল অফিসের প্রতিনিধি ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত টিম চারা রোপণ থেকে শুরু করে ঋণ আদায় পর্যন্ত তদারকি করবেন বলে জানা গেছে। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ।

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১